উইন্ডিজকে বাংলা-ওয়াশ টাইগারদের

খেলাধুলা

বঙ্গবন্ধু সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেও টাইগারদের দাপুট জয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩-০ তে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ।

ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে সকালে সাগরিকায় টসভাগ্যে কপালমন্দ টাইগারদের। কুয়াশা ভেজা উইকেটে তামিম-লিটনদের নেমে পড়তে হয় ব্যাট হাতে। মন্দ ভাগ্য তাড়িয়েই চলে বাংলাদেশকে। স্কোরবোর্ডে মাত্র ১ রান যোগ হতেই লিগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। তামিম-শান্ত দিচ্ছিলেন বড় পার্টনারশিপের আভাস, কিন্তু টিকতে পারলেন না নাজমুল শান্ত। দলীয় ৩৮ রানে উইকেট খোয়ান লিটনের মতো করেই।

বিসিবির ২০২৩ এর প্ল্যানের মূল পার্ট জুনিয়ররা ব্যর্থ হলেও, ঠিকই ম্যাচে ছড়ি ঘুরিয়েছেন তামিম, সাকিব, মুশি আর রিয়াদ। তামিমের সঙ্গে সাকিবের রসায়নটা জমেছে বেশ। দুই বন্ধুর ৯৩ রানের পার্টনারশিপেই ভিত মজবুত হয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। ব্যাক টু ফিফটি তুলে নিয়েছেন তামিম ইকবাল। পঞ্চাশ এসেছে সাকিবের ব্যাট থেকেও।

সাকিব-তামিমের ভিত গড়া ইনিংসকে অট্টালিকায় পরিণত করেছেন মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দুজনের ঝড় ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২৯৭ রানে। দু’জনই তুলে নিয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। দু’জনের ব্যাট থেকে এসেছে সমান ৬৪ রান করে।

দুই ম্যাচ মিলে ২৭০ করা উইন্ডিজের সামনে তৃতীয় ওয়ানডেতে টার্গেটই ২৯৮। রানের চাপ সামলাতে ব্যর্থ ক্যারিবীয়রা প্রথম উইকেট হারিয়েছে দলীয় ৭ রানে। ইনিংসের দ্বিতীয় উইকেটও নিয়েছেন ফিজ। সুনীল অ্যামব্রিসকে ফিরিছেন ব্যক্তিগত ১৩ রানে। ক্রিজে এসে টিকনে পারেননি কাইল মায়ার্স। দলীয় ৪৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে ক্যারিবীয়রা।

মাথার ওপরে বড় টার্গেটের বোঝা, হোয়াইন ওয়াশ এড়ানোও অসম্ভবই প্রায়। এমন সময়ে হারের ব্যবধান কমাতে লড়ছিলো উইন্ডিজ। তবে সাইফুদ্দিনের জোড়া শিকারে হার তখন অবধারিত। ১শ’ রানের আগে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। শেষ পর্যন্ত ১৭৭ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সর্বোচ্চ তিন উইকেট পান সাইফুদ্দিন।