চসিক নির্বাচন: পৃথক স্থানে সংঘর্ষ, নিহত ১

বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাঁচটি এলাকায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আমবাগান এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন পাথরঘাটার বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমাইল বালি। আহত হয়েছেন অনেকেই।

ভোট শুরুর দুই ঘণ্টা পর নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের আমবাগান এলাকায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন আলাউদ্দিন নামে এক শ্রমিক। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৩০ জন।

নগরীর লালখান বাজারেও আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে।

পাথরঘাটায় ৪টি ইভিএম ও পুলিশের একটি ভ্যান ভাঙচুর করেছে কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকেরা। এতে পাথরঘাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

সকাল ৮টা থেকে নগরীর ৭৩৫টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভোটার উপস্থিতি। প্রথমবার ইভিএমে ভোট দিয়ে সন্তোষ জানান ভোটাররা।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন  বলেন, “এখন পরিস্থিতি অনেকটা শান্ত। সকালের দিকে একটু সমস্যা হয়েছিল কিন্তু এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে।  ইভিএমের মাধ্যমে নগরীর ৭শ’ ৩৫টি কেন্দ্রে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে ভোট। নগরপিতা বেছে নিতে শীত উপেক্ষা করে বন্দরনগরীর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি।

নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সাতজন প্রার্থী। ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ ভোটারের ভোটে কে হবেন মেয়র তা জানার অপেক্ষায় নগরবাসী।