চসিক নির্বাচন: বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ শেষ

বাংলাদেশ

বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হলো চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ইভিএমের মাধ্যমে নগরীর ৭শ’ ৩৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছিল সকাল ৮টায়। শেষ হয় বিকেল ৪টায়।

বেশিরভাগ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোট হলেও নগরীর পাঁচটি এলাকায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। আমবাগান এলাকায় গুলিতে নিহত হয়েছেন একজন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। পাথরঘাটায় ৪টি ইভিএম ভাংচুর করায় দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমাইল বালি।  

নগরপিতা বেছে নিতে শীত উপেক্ষা করে বন্দরনগরীর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি। সকাল ৮টা থেকে নগরীর ৭৩৫টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভোটার উপস্থিতি। প্রথমবার ইভিএমে ভোট দিয়ে সন্তোষ জানান ভোটাররা।

ভোট শুরুর দুই ঘণ্টা পর নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের আমবাগান এলাকায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন আলাউদ্দিন নামে এক শ্রমিক।

নগরীর লালখান বাজারেও আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

পাথরঘাটায় ৪টি ইভিএম ও পুলিশের একটি ভ্যান ভাঙচুর করেছে কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকেরা। এতে পাথরঘাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সাতজন প্রার্থী। ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ ভোটারের ভোটে কে হবেন মেয়র তা জানার অপেক্ষায় নগরবাসী।