চালের উর্ধ্বগতিতে চিন্তিত কৃষিমন্ত্রীও

বাংলাদেশ

বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক নিজেও।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি), পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার তিস্তাপাড়া এলাকায় এক কৃষকের জাপানি দুই জাতের মিষ্টি আলু ও কাজু বাদাম বাগান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এবার আমন ও আউশের উৎপাদন কম হওয়ায় বাজারে চালের দাম একটু বেশি। এ বিষয়ে আমরা বিভিন্ন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। নিম্ন আয়ের মানুষের যেন কষ্ট না হয় সেজন্য আমরা ওএমএসের চাল, ১০ টাকা কেজি দরে চাল দিচ্ছি। এমনকি চালের দাম কমানোর জন্য সীমিত পরিসরে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, কৃষিতে এখন উভয় সংকট। বেশি দাম বাড়লে গরীব মানুষ কষ্ট পায়, আবার দাম কমলে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। তবে বর্তমানে চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আব্দুর রাজ্জাক আরো জানান, গ্রাম হলো সকল আয়ের ইঞ্জিন। কৃষির উন্নতি হলে গ্রামের উন্নতি হবে। এখন কৃষিকে বহুমুখী করতে হবে। কৃষিকে লাভজনক করতে হলে ধানের পাশাপাশি অর্থকরি ফসল চাষ করতে হবে। আমরা কৃষিকে বাণিজ্যিকরণ করতে চাই। কৃষি থেকে প্রক্রিয়াজাত করে উন্নত মানের খাবার তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করতে চাই। আমরা আগে মনে করতাম কাজু বাদাম কেবল পার্বত্য চট্টগ্রামেই হয়। এখন দেখছি অনেক এলাকাতেই কাজু বাদাম চাষ করা সম্ভব। কাজু বাদামের পাশাপাশি কফি চাষ করাও সম্ভব। কফির আন্তর্জাতিক বাজার অনেক বড়।

মন্ত্রী সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ডিলারদের সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ারও আশ্বাস দেন।

এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মেসবাহুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আসাদুল্লাহসহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।