মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান

আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী গত নির্বাচন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি’র (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চি এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিনতকে আটক করে দেশটির ক্ষমতা দখল করেছে।

মিয়ানমারের ভাইস প্রেসিডেন্টকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। একই সাথে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা। 

দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে সেনা টহল জোরদারের পাশাপাশি পার্লামেন্ট অধিবেশন স্থগিত ও টেলিফোন-ইন্টারনেটসহ টেলিভিশন সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচিত নেতাদের মুক্তি দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া।

গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল এনএলডি নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। তবে ওই নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তোলে দেশটির সেনাবাহিনী। এবার সেই অভিযোগেই অভিযান চালিয়ে সু চিসহ এনএলডির শীর্ষ নেতাদের আটক করা হল।

এর আগে শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সশস্ত্র বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। দেশটিতে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করতে পারে- এমন উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছিল, তারা দেশের সংবিধান রক্ষা করবে, মেনে চলবে এবং দেশের আইন অনুসারে কাজ করবে।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ প্রতিনিধিসহ এক ডজনেরও বেশি দূতাবাস একটি সম্ভাব্য অভ্যুত্থানের বিষয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়ে মিয়ানমারকে অবহিত করে এবং “গণতান্ত্রিক নিয়ম মেনে চলার” আহ্বান জানায়।