নায়িকা হলে কি করতে হয়-এমন কাহিনী আছে মেকআপে!

সংস্কৃতি ও বিনোদন

মেকআপ’ নিষিদ্ধের খবর সঠিক নয়: সেন্সর বোর্ড। আইনের বিষয়টি আরো পরিস্কার হলো চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনের কথায়। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মেকআপ চলচ্চিত্রের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আমাদের কিছু অবজার্ভেশন রয়েছে ছবিটি সম্পর্কে। আমরা মোটেও নিষিদ্ধ করিনি।

মেকআপ ছবিটি নিয়ে তুমুল তর্ক বিতর্ক শুরু হয়েছে নিষিদ্ধ প্রসঙ্গ চলে আসার পর। স্বাভাবিকভাবেই কৌতুহল তৈরি হয়ে যায় কী রয়েছে এই সিনেমায়, কী দেখানো হবে? এখন পর্যন্ত জানা গেছে শোবিজ জগতের বেশকিছু লুকোছাপা গল্প এই ছবির মূখ্য কাহিনি। সাম্প্রতিক সময়ে গোটা বিশ্বে মি টু হ্যাশট্যাগ ও কাস্টিং কাউচ নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। তবে এদেশের প্রেক্ষাপটে সেসব হালে পানি পায়নি। বিষয়টি থিতিয়েই গিয়েছিল কিন্তু মেকআপ মৃত বিষয়টিকে জীবিত করে তুলেছে। কাস্টিং কাউচ বিষয়টি মেকআপ চলচ্চিত্রের একটি বিতর্কিত বিষয়। এখানে বলা হয়েছে ‘নায়িকা হতে হলে শুতে হবে।’ 

এই সংলাপের তীব্রভাবে বিরোধীতা করা হয়েছে। সব নায়িকাই কি নায়িকা হতে গিয়ে শযাসঙ্গী হয়? এমন প্রশ্ন সামনে চলে আসে। অনন্য মামুন তাঁর এই ছবি সম্পর্কে বলেন, ‘আমি আসলে বুঝতেছি কি হয়েছে। আমার কাছে কোনো লিখিত চিঠি আসেনি। আমি শুনেছি কিছু কিছু দৃশ্যে আপত্তি রয়েছে। যদি আপত্তি থাকে তাহলে সেটাকে সংশোধন করতে হবে। তবে ছবিটি মুক্তি পাবে। আমি বুঝতে পারছি মৌলিক গল্পের ছবি বানালেই সমস্যা। লুতুপুতু প্রেমের গল্প বানালে সমস্যা হবে না নিশ্চই।’

ছবির গল্প ও আপত্তিকর বিষয়গুলো নিয়ে সেন্সর বোর্ডের সদস্য অরুণা বিশ্বাস বলেন, কিছু ব্যাপার আমরা এড়িয়ে চলতে চাই। সামাজিক কারণে কোনো কোনো ব্যাপার অন্তরালে থাকে। কিছু নোংরা বিষয় এই সিনেমায় নিয়ে আসা হয়েছে যা যা কোনোভাবেই প্রগতিশীলতার চিত্র প্রকাশ করে না। আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংসের মুখে এখন ভালো ভালো কিছু চলচ্চিত্র নির্মাণ করা দরকার। বেডরুম হলেও কথা ছিল ওয়াশরুমের ভেতরের গল্প বলার চেষ্টা করছে। এসব নিশ্চই ভালো কোনো উদ্দেশ্যে বানানো নয়। আমরা এমন ছবি মুক্তি দেওয়ার পক্ষে নয়। আমাদের কাছে মতামত চাওয়া হয়েছে আমরা মতামত দিয়েছি। বাকিটা সিদ্ধান্ত হলে জানা যাবে।