করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ৩২ জেলায় ১৩৫ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশ

২৪ ঘণ্টায় মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ৩২ জেলায় ১৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা বিভাগে করোনায় ৩৪ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে খুলনায় ৮ জন, কুষ্টিয়ায় ৮ জন, যশোরে ৭, ঝিনাইদহে ৫, চুয়াডাঙ্গায় ২জন এবং বাগেরহাট, মেহেপুর, নড়াইল ও সাতক্ষীরায় একজন করে মারা গেছেন।

এদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগে করোনায় ২৩ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে কুমিল্লার ১৪ ও চট্টগ্রামের ৯ জন ছিলেন। বরিশাল বিভাগে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২২ জন। এরমধ্যে বরিশালের ৮, ভোলার ৬, পটুয়াখালীর ৫, পিরোজপুরের ২ ও বরগুনার ১ জন রয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগে করোনা ও উপসর্গে ১৮ জন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ময়মনসিংহের ১২, জামালপুরের ৩, নেত্রকোণার ২, শেরপুরের ১। এর মধ্যে ৮ জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন।

এদিকে, রাজশাহীতে ১৩ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে রাজশাহীর ৬, নাটোর ও নওগাঁর ৩ জন করে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন মারা গেছেন। রংপুর বিভাগে করোনায় ৯ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে রংপুরে ৩, ঠাকুরগাঁওয়ে ২, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুরে একজন করে মারা গেছেন। এছাড়া, করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ফরিদপুরে ১৪ ও টাঙ্গাইলে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও বাংলাদেশে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওইদিন তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনায় মৃত্যুর হার শুরুতে বৃদ্ধি পাওয়ার পর অনেকটাই কমে এসেছিলো সে হার। তবে, দেশে করোনায় ২য় ঢেউয়ে আবারো বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ হার ও মৃতের সংখ্যা। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১শে মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০শে জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)।