করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

বাংলাদেশ

নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এ নিয়ে করোনায় দেশে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়ালো ২২ হাজার ৪১১ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১৩৬ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩৯৬ জন।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার (৬ আগস্ট) একদিনে করোনা আক্রান্ত ২৪৮ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিলো স্বাস্থ্য অদিদপ্তর। এদিন নতুন করে ১২ হাজার ৬০৬ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি নিশ্চিতের তথ্য জানানো হয়। তার আগে, গত বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) দেশে একদিনে রেকর্ড ২৬৪ জনের মৃত্যু ঘটে করোনায়। একইদিন ১২ হাজার ৭৪৪ জনের করোনা শনাক্তের তথ্য জানানো হয়।

দেশে করোনা সংক্রমণের ৫১৭তম দিনে আজ শনিবার (৭ আগস্ট), করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩১ হাজার ৭০২টি। আর দেশের মোট ৭০৭টি ল্যাবে অ্যান্টিজেন টেস্টসহ ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩১ হাজার ৭১৪টি। এর মধ্যে ৮ হাজার ১৩৬ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যেখানে পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৫.৬৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৮০ লাখ ৭৫ হাজার ৪০৭টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬.৬৪ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সবোর্চ্চ ১০১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬২ জন ও খুলনা বিভাগে ৪৫ জন এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৬১ জনের মধ্যে ১৫২ জন পুরুষ ও ১০৯ জন নারী। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৬৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করা ২২ হাজার ৪১১ জনের মধ্যে ১৪ হাজার ৯৭৪ জন পুরুষ ও ৭,৪৩৭ জন নারী। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো ১৬ হাজার ৩৮৩ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮.৪৯ শতাংশ। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১১ লাখ ৮৮ হাজার ৮২০ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও বাংলাদেশে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওইদিন তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনায় মৃত্যুর হার শুরুতে বৃদ্ধি পাওয়ার পর অনেকটাই কমে এসেছিলো সে হার। তবে, দেশে করোনায় ২য় ঢেউয়ে আবারো বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ হার ও মৃতের সংখ্যা। সংক্রমণ ঠেকাতে আবারো দেশে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার।