‘পর্যটন কেন্দ্র, বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ ও জনসমাগম, অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ’

বাংলাদেশ

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ না থাকলেও পর্যটন কেন্দ্র, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে এবং জনসমাগম ও অনুষ্ঠানও নিষিদ্ধই থাকবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি। 

তিনি জানান, বিধিনিষেধ শিথিল হলেও বিনোদন কেন্দ্র চালুর অনুমতি দেয়া হয়নি। জনসমাবেশ করারও অনুৃমতি নেই। অর্ধেক বাস চলার ফলে আরেও বেশি সমস্যা তৈরি হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একসঙ্গে বেশি গাড়ি ঢাকা বা চট্টগ্রামের দিকে না ঢোকে। এটা লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সিদ্ধান্ত নেবে। সিটির ক্ষেত্রেও মেট্রোপলিটন পুলিশ ও মালিক সমিতি সিদ্ধান্ত নেবে। কোনোকিছু ভায়োলেশন হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। সবকিছু আমরা লোকাল অ্যামিনিস্ট্রেশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।

সচিবালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রত্যেক প্রাথমিক শিক্ষক নির্দিষ্ট চাঁদা ও নিবন্ধনের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত হবেন। এরপর থেকে তারা ট্রাস্ট থেকে সুযোগ সুবিধা পাবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালুর বিষয়ে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগে ভ্যাকসিনেশন জোরদার হচ্ছে কীভাবে ছাত্রদের আগে ভ্যাকসিন দেয়া যায়। তারপর উনারা এটা ব্রিফ করবেন। 

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর আইন ২০২১ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া আইন অমান্যে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। 

এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন- ২০২১ ও বাংলাদেশ চিড়িয়াখানা আইন ২০২১ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।